বাংলাদেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলি, ২০১৩ সাল থেকে বিরোধীদলের কর্মীসহ কয়েকশ ব্যক্তিদের অবৈধভাবে আটক করেছে এবং তাদের গোপন স্থানে লুকিয়ে রেখেছে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আজ এ কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের উচিত অতিসত্বর জোরপূর্বক নিখোঁজের এ ধারা বন্ধ করা, এবং এ  অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত পরিচালনা করা, নিখোঁজের পরিবারদের জবাব দেয়া এবং এ ধরনের গুরুতর অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে দোষী নিরাপত্তা বাহিনীদের বিচারের সম্মুখীন করা।

 ‘“তিনি আমাদের কাছে নেই”:বাংলাদেশে গোপনে আটক এবং জোরপূর্বক নিখোঁজ” শিরোনামের ৮০ পাতার প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে’ শুধুমাত্র ২০১৬ সালেই কমপক্ষে ৯০ জন ব্যাক্তি জোরপূর্বক নিখোঁজের শিকার হয়েছেন। যদিও গোপনে আটকে রাখার কিছু সপ্তাহ অথবা মাসের মধ্যে তাদের আদালতে হাজির করা হয়, কিন্তু হিউম্যান রাইটস ওয়াচ  ২১টি ঘটনা লিপিবদ্ধ করে যেখানে আটককৃতদের পরে হত্যা করা হয় এবং অন্য ৯ জনের অবস্থান এখনও অজানা। আটককৃত ৯০ জনের মধ্যে বিরোধীদলের বিশিষ্ট নেতাদের তিনজন পুত্র রয়েছেন যাদের ২০১৬ সালের অগাস্ট মাসে কয়েক সপ্তাহের জন্য তুলে নিয়ে যাওয়া হয়; তাদের একজনকে গোপনে ছয় মাস আটকে রাখার পর ছেড়ে দেয়া হয় এবং অন্য দুইজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসে, ৪৮টি নিখোঁজের ঘটনা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে তাদের উপর নির্যাতন ও বাজে ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।